1. admin@weeklyrenaissance.com : admin :
শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৪৩ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
চৌদ্দগ্রামে সুরিকরা পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করল ১২ নং গুণবতী ইউনিয়ন বিএনপি ও পর্যবেক্ষণ কমিটি সোনারগাঁ উপজেলার শ্রেষ্ঠ ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে মানবাধিকার শান্তি পদক পেলেন মো: মামুন চৌদ্দগ্রামে স্বর্ণ চোরাচালানি চক্র জামায়াতের প্রভাব খাঁটিয়ে নিরীহ ব্যক্তির জায়গা দখলের চেষ্টা! গুণবতী ইউনিয়নে দুর্গাপূজা উপলক্ষে বিএনপির পর্যবেক্ষণ কমিটি গঠন পরিকোট প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় জোবায়রুল ইসলাম পলাশকে গ্রামবাসী ও অভিভাবকবৃন্দের উষ্ণ অভিনন্দন বিপজ্জনক রাসায়নিক : বন্দরে বিপর্যয়ের শঙ্কা! নোয়াখালীর সেনবাগে সুন্দলপুর-৪ কূপে মিলল গ্যাস, যুক্ত হচ্ছে জাতীয় গ্রিডে মেন্টরশিপ, তৃণমূল সংযোগ ও পারিবারিক বাধা : চ্যালেঞ্জের মুখে নারীর রাজনীতি চৌদ্দগ্রামে অপচিকিৎসা ও ক্লিনিক বাণিজ্যের অভিযোগ: নবজাতকের মর্মান্তিক মৃত্যুতে জনমনে তীব্র ক্ষোভ নিখোঁজ সেই তরুণীর সন্ধান চায় পিবিআই

বিপজ্জনক রাসায়নিক : বন্দরে বিপর্যয়ের শঙ্কা!

  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ১১ অক্টোবর, ২০২৬
  • ১৪ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিনিধি: চট্টগ্রাম বন্দরের বিভিন্ন ইয়ার্ড ও জেটিতে বছরের পর বছর পড়ে থাকা বিপজ্জনক রাসায়নিক নিয়ে বাড়ছে হ অগ্নিকাণ্ড, বিস্ফোরণ ও পরিবেশদূষণের আশঙ্কা। অ্যাসিড, মিথানল, থিনারসহ বিভিন্ন ধরনের বিপজ্জনক রাসায়নিক বোঝাই ৩২৩ টিইইউ কনটেইনার এখন বন্দরের নিরাপত্তার জন্য বড় উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এসব কনটেইনারের কোনো কোনোটি ১৫ থেকে ২০ বছর ধরে পড়ে রয়েছে। এর মধ্যে ৪৪টি কনটেইনার এতটাই জরাজীর্ণ যে সেগুলো থেকে রাসায়নিক বেরিয়ে আসছে। দীর্ঘদিন ধরে পড়ে থাকা এসব রাসায়নিকের নিষ্পত্তি না হওয়ায় দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দরে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

জানা যায়, সম্প্রতি বন্দরে পড়ে থাকা বিপজ্জনক রাসায়নিক অপসারণের উদ্যোগ নেওয়া হলেও অবশিষ্ট বিপুল পরিমাণ রাসায়নিকের নিরাপদ নিষ্পত্তি এখনো বড় চ্যালেঞ্জ। আইনি জটিলতা, নিলামপ্রক্রিয়ার দীর্ঘসূত্রতা এবং রাসায়নিক ধ্বংসের উপযুক্ত ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে না পারায় বছরের পর বছর বন্দরের ইয়ার্ড ও জেটিতে পড়ে রয়েছে এসব বিপজ্জনক পণ্য।

এবিষয়ে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের সহকারী কমিশনার রাসেল আহমেদ বলেন, ‘এগুলো আগুনের উচ্চঝুঁকিসম্পন্ন কেমিক্যাল। স্বাভাবিকভাবেই এসব পণ্য দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দরকে ঝুঁকিপূর্ণ করে তুলছিল।’ বন্দরে পড়ে থাকা বিপজ্জনক রাসায়নিকের মধ্যে ৪৪টি কনটেইনারের অবস্থা সবচেয়ে উদ্বেগজনক।

দীর্ঘদিন পড়ে থাকায় কনটেইনারগুলো জরাজীর্ণ হয়ে পড়েছে এবং সেগুলো থেকে রাসায়নিক বেরিয়ে আসছে। এসব রাসায়নিকের ধরন অনুযায়ী আগুন, বিস্ফোরণ, বিষাক্ত বাষ্প ছড়িয়ে পড়া এবং পরিবেশদূষণের ঝুঁকি রয়েছে। পাশাপাশি বন্দরের অন্যান্য পণ্য ও স্থাপনার জন্যও তৈরি হতে পারে বড় বিপদ।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের ট্রাফিক ইন্সপেক্টর সাইফুল ইসলাম রনি বলেন, ‘যেকোনো মুহূর্তে এগুলো বিস্ফোরিত হতে পারে, আগুনও ধরতে পারে। আগুন লাগলে বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি হবে। কারণ, এটি একটি বন্ডেড এলাকা। এখানে শুধু এসব পণ্যই নয়, আরও বিভিন্ন ধরনের পণ্য রয়েছে।’

বন্দর কর্তৃপক্ষের আশঙ্কা, বিপজ্জনক রাসায়নিকের কোনো একটি কনটেইনারে আগুন লাগলে তা আশপাশের পণ্য ও স্থাপনায় ছড়িয়ে পড়তে পারে। বন্দরে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ আমদানি-রপ্তানি পণ্য ওঠানামা করে। ফলে এ ধরনের দুর্ঘটনা শুধু পণ্য ও অবকাঠামোর ক্ষতিই নয়, বন্দরের স্বাভাবিক কার্যক্রমও ব্যাহত করতে পারে।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬ সাপ্তাহিক রেনেসাঁ