1. admin@weeklyrenaissance.com : admin :
শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৪৪ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
চৌদ্দগ্রামে সুরিকরা পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করল ১২ নং গুণবতী ইউনিয়ন বিএনপি ও পর্যবেক্ষণ কমিটি সোনারগাঁ উপজেলার শ্রেষ্ঠ ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে মানবাধিকার শান্তি পদক পেলেন মো: মামুন চৌদ্দগ্রামে স্বর্ণ চোরাচালানি চক্র জামায়াতের প্রভাব খাঁটিয়ে নিরীহ ব্যক্তির জায়গা দখলের চেষ্টা! গুণবতী ইউনিয়নে দুর্গাপূজা উপলক্ষে বিএনপির পর্যবেক্ষণ কমিটি গঠন পরিকোট প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় জোবায়রুল ইসলাম পলাশকে গ্রামবাসী ও অভিভাবকবৃন্দের উষ্ণ অভিনন্দন বিপজ্জনক রাসায়নিক : বন্দরে বিপর্যয়ের শঙ্কা! নোয়াখালীর সেনবাগে সুন্দলপুর-৪ কূপে মিলল গ্যাস, যুক্ত হচ্ছে জাতীয় গ্রিডে মেন্টরশিপ, তৃণমূল সংযোগ ও পারিবারিক বাধা : চ্যালেঞ্জের মুখে নারীর রাজনীতি চৌদ্দগ্রামে অপচিকিৎসা ও ক্লিনিক বাণিজ্যের অভিযোগ: নবজাতকের মর্মান্তিক মৃত্যুতে জনমনে তীব্র ক্ষোভ নিখোঁজ সেই তরুণীর সন্ধান চায় পিবিআই

পোশাককর্মী হত্যায় ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড

  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৬
  • ১৮ বার পঠিত

ছবি সংগৃহীত—

 

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

মিরপুরে শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে পোশাককর্মী সায়মনকে ছিনতাইয়ের পর হত্যার মামলায় তিনজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় একজনকে তিন বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) ঢাকার ১৩তম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ জাহিদুল ইসলামের আদালত এ রায় দেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, মো. ইউসুফ, ইকবাল খাঁ ও মেহেদী হাসান। তাদের প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ডও দেওয়া হয়েছে। আর সুজনকে তিন বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আদালতের বেঞ্চ সহকারী সোহেল মিয়া বলেন, রায় ঘোষণার আগে কারাগারে থাকা ইউসুফ, ইকবাল ও মেহেদীকে আদালতে হাজির করা হয়। রায় শেষে তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। সুজন পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানার পাশাপাশি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২২ সালের ১১ অক্টোবর রাতে মিরপুর-১ থেকে বাসায় ফেরার পথে সায়মনকে ভয়ভীতি দেখিয়ে রিকশায় করে শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ এলাকায় নিয়ে যায় তিন ছিনতাইকারী।

সেখানে তাকে ছুরি দিয়ে আঘাত করে টাকা ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয় তারা। পরে স্থানীয়রা সায়মনকে উদ্ধার করে পঙ্গু হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। সায়মন মিরপুর-১-এর একটি গার্মেন্টসে ১০ হাজার টাকা বেতনে চাকরি করতেন। ঘটনার দিন বেতন তুলে দুই সহকর্মীর সঙ্গে কেনাকাটা করতে গিয়েছিলেন তিনি। এ ঘটনায় সায়মনের বাবা শাজাহান শেখ দারুস সালাম থানায় মামলা করেন।

তদন্তে ইউসুফ গ্রেপ্তার হওয়ার পর তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ইকবাল ও মেহেদীকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের কাছ থেকে সায়মনের মোবাইল বিক্রির টাকা উদ্ধার করা হয়। পরে তদন্ত শেষে ২০২৩ সালের ৩১ জানুয়ারি তিনজনের বিরুদ্ধে ছিনতাইয়ের পর হত্যার অভিযোগে এবং সুজনের বিরুদ্ধে চোরাই মাল রাখার অভিযোগে আদালতে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়।

২০২৩ সালের ২ আগস্ট আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে বিচার শুরু হয়। মামলায় ১৮ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আদালত এ রায় দেন।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬ সাপ্তাহিক রেনেসাঁ